করোনা ভাইরাস আমাদের মধ্যে বেপক আতঙ্ক ও ভিতির কারন হয়ে দারিয়েছে । আমরা সাধারনত কার যদি সাধারন জ্বর কিবা কাশি হয় তাহেলেই আমরা আতঙ্ক হয়ে পরি । সাধারণ জ্বর অথবা কাশিতে আতঙ্ক হওয়ার কিছু নেই তবে সতর্ক থাকা ভালো ।

করোনা ভাইরাস ও যে কোন কঠিন রোগ থেকে মুক্তির দোয়া

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، أَخْبَرَنَا قَتَادَةُ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقُولُ ‏ “‏ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْبَرَصِ وَالْجُنُونِ وَالْجُذَامِ وَمِنْ سَيِّئِ الأَسْقَامِ ‏”‏ ‏.‏

বাংলা উচ্চারনঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নি আ’উজুবিকা মিনাল বারাচি ওয়াল জুনুনি ওয়াল জুযামি ওয়া মিন ছায়্যিইল আসকম।

বাংলা অর্থঃ

আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ “হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই শ্বেত, উন্মাদনা, কুষ্ঠ এবং সমস্ত দুরারোগ্য ব্যাধি হতে। ”
সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ১৫৫৪

ইসতেগফার বা দোওয়া ইউনুসঃ
لَّآ إِلٰهَ إِلَّآ أَنتَ سُبْحٰنَكَ إِنِّى كُنتُ مِنَ الظّٰلِمِينَ

বাংলা উচ্চারনঃ
লা ইলাহা আংতা ছুবহানাকা ইন্নি কুংতু মনিাজ্জলিমীন
বাংলা অর্থঃ
“তুমি ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই, পবিত্র তোমার সত্তা, অবশ্যই আমি অপরাধ করেছি।” (আল-আম্বিয়া:87)

 

এই বিসয়ের সাথে সম্পর্কযুক্ত কিছু পোস্ট—– করোনা আতঙ্ক ! যৌনসঙ্গম কী বন্ধ রাখবেন?   করোনার লাইভ দেখতে 

 

করোনা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন এবং বেশি বেশি তাওবা ও ইস্তেগফার অব্যাহত রাখুন।
পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ । সর্বাবস্থায় পরিষ্কার পরিছন্ন থাকুন ও পবিত্র থাকুন।
প্রত্যক নামাজের জন্য নতুন করে ওজু করুন । ওজুর সময় হাত ধোয়ার জন্য কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান ব্যবহার করুন।
চারটি বিশেষ সময়ে সাবান দিয়ে দুইহাত পরিস্কার করুনঃ
১। নিজে খায়ার আগে,
২। শিশুকে খাওয়ানোর আগে
৩। নিজে পায়খানা ব্যবহারের পরে
৪। শিশুর শৌচকর্ম করানোর পরে

সতর্কতাঃ

 

বিদেশ ফেরত, করোনা ভাইরাস এর লক্ষণযুক্ত এবং জ্বর-হাঁচি-কাশিতে আক্রান্ত ও অসুস্থ ব্যক্তিগন মসজিদ ও জনসমাগম গমন থেকে বিরত থাকুন।
চিকিৎসা গ্রহন করা সুন্নত। বিদেশ ফেরত/আক্রান্ত ব্যক্তি অথবা তার পতিবারের সদস্যরা, অথবা তাদের সংস্পর্শে এসেছেন এমন সকল ব্যক্তি ১৪দিন স্বেচ্ছা কোয়ারেন্টাইনে থাকুন ।
যেহেতু রাসুল সাঃ সুন্নাত ও নফল নাময ঘড়ে আদায় করতেন। সেহেতু ফরজ নামাজ ছাড়া অন্যান্য নামাজ বাসায় আদায় করুন।
আপত কালিন সময় মুসাফাহা ও মুয়ানাকা করা থেকে বিরত থাকুন।

করোনা-ভাইরাস

এব্যপারে রাসুল সাঃ হাদিস থেকে প্রমান, বোজা সহজের জন্য সম্পুর্ন হাদেস তুলে ধরা হলো।

حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زَيْدِ بْنِ الْخَطَّابِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ نَوْفَلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ “‏ إِذَا سَمِعْتُمْ بِهِ بِأَرْضٍ فَلاَ تُقْدِمُوا عَلَيْهِ وَإِذَا وَقَعَ بِأَرْضٍ وَأَنْتُمْ بِهَا فَلاَ تَخْرُجُوا فِرَارًا مِنْهُ ‏”‏ ‏.‏ يَعْنِي الطَّاعُونَ ‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:

তিনি বলেন, ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : তোমরা কোন অঞ্চলে প্লেগ-মহামারীর প্রাদুর্ভাবের কথা শুনলে সেখানে যাবে না। আর যদি কোন এলাকায় মহামারী ছড়িয়ে পড়ে এবং তোমরাও সেখানে অবস্থান করো, তাহলে সেখান থেকে পালিয়ে এসো না।

সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৩১০৩
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
Source: আল হাদিস অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ, IRD

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ حَبِيبٍ، قَالَ كُنَّا بِالْمَدِينَةِ فَبَلَغَنِي أَنَّ الطَّاعُونَ قَدْ وَقَعَ بِالْكُوفَةِ فَقَالَ لِي عَطَاءُ بْنُ يَسَارٍ وَغَيْرُهُ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏”‏ إِذَا كُنْتَ بِأَرْضٍ فَوَقَعَ بِهَا فَلاَ تَخْرُجْ مِنْهَا وَإِذَا بَلَغَكَ أَنَّهُ بِأَرْضٍ فَلاَ تَدْخُلْهَا ‏”‏ ‏.‏ قَالَ قُلْتُ عَمَّنْ قَالُوا عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدٍ يُحَدِّثُ بِهِ ‏.‏ قَالَ فَأَتَيْتُهُ فَقَالُوا غَائِبٌ – قَالَ – فَلَقِيتُ أَخَاهُ إِبْرَاهِيمَ بْنَ سَعْدٍ فَسَأَلْتُهُ فَقَالَ شَهِدْتُ أُسَامَةَ يُحَدِّثُ سَعْدًا قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏”‏ إِنَّ هَذَا الْوَجَعَ رِجْزٌ أَوْ عَذَابٌ أَوْ بَقِيَّةُ عَذَابٍ عُذِّبَ بِهِ أُنَاسٌ مِنْ قَبْلِكُمْ فَإِذَا كَانَ بِأَرْضٍ وَأَنْتُمْ بِهَا فَلاَ تَخْرُجُوا مِنْهَا وَإِذَا بَلَغَكُمْ أَنَّهُ بِأَرْضٍ فَلاَ تَدْخُلُوهَا ‏”‏ ‏.‏ قَالَ حَبِيبٌ فَقُلْتُ لإِبْرَاهِيمَ آنْتَ سَمِعْتَ أُسَامَةَ يُحَدِّثُ سَعْدًا وَهُوَ لاَ يُنْكِرُ قَالَ نَعَمْ ‏.‏

হাবীব (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ:

তিনি বলেন, আমরা মদীনায় ছিলাম। তখন আমার নিকট সংবাদ আসলো যে, কূফায় প্লেগের প্রাদুর্ভাব হয়েছে। তখন ‘আতা ইবনু ইয়াসার (রহঃ) প্রমুখ সাহাবাগণ আমাকে বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম): যখন তুমি কোন অঞ্চলে অবস্থান করবে সেখানে তা প্রকাশ পেলে সেখান থেকে বের হয়ো না। আর যদি তোমার নিকট খবর পৌঁছে যে, তা কোন অঞ্চলে রয়েছে, তাহলে সেখানে গমন করো না। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম- এ বর্ণনা কার পক্ষ হতে? তাঁরা বললেন, ‘আমির ইবনু সা‘দ (রহঃ) হতে-তিনি তা বর্ণনা করে থাকেন। বর্ণনাকারী বলেন, তখন আমি তাঁর নিকট গেলাম। তারা বলল, তিনি গৃহে নেই। তখন আমি তাঁর ভাই ইব্‌রাহীম ইবনু সা‘দ (রহঃ) -এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁকে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, উসামাহ্‌ (রাঃ) যখন সা‘দকে হাদীস শুনাচ্ছিলেন, তখন আমি উপস্থিত ছিলাম। তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি, এ রোগ একটি মহামারী অথবা একটি ‘আযাব কিংবা ‘আযাবের অবশিষ্টাংশ-যা দ্বারা তোমাদের পূর্বেকার কতিপয় লোককে শাস্তি দেয়া হয়েছিল। অতএব কোন অঞ্চলে তোমাদের অবস্থানকালে যদি তা থাকে সে সময় সেখান থেকে তোমরা বের হয়ো না। আর যদি তোমাদের নিকট খবর আসে যে, তা কোন অঞ্চলে দেখা দিয়েছে, তবে সেখানে গমন করো না।
হাবীব (রহঃ) বলেন, তখন আমি ইব্‌রাহীম (রহঃ) -কে বললাম, আপনি কি শুনেছেন যখন উসামাহ্‌ (রাঃ) সা‘দ (রাঃ) -এর নিকট হাদীস বর্ণনা করেছিলেন, আর তিনি তা অস্বীকার করেননি? তিনি বললেন, হ্যাঁ।
(ই.ফা. ৫৫৮৭, ই.সে. ৫৬১৪)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *